Wellcome to National Portal
মেনু নির্বাচন করুন
Main Comtent Skiped

শিরোনাম
আবহাওয়া ভিত্তিক কৃষি বিষয়ক বুলেটিন (১৩.১০.২০২৪ থেকে ১৭.১০.২০২৪ পর্যন্ত)
বিস্তারিত

জেলা কৃষি আবহাওয়া পরামর্শ সেবা বুলেটিন ১৩ অক্টোবর ২০২৪ 

আবহাওয়া ভিত্তিক কৃষি বিষয়ক বুলেটিন জেলা: কিশোরগঞ্জ  

তারিখ : ১৩.১০.২০২৪ বুলেটিন নং ৫৮৯ 

১৩.১০.২০২৪ থেকে ১৭.১০.২০২৪ পর্যন্ত কৃষি আবহাওয়া বিষয়ক বুলেটিন 


গত ৪ দিনের আবহাওয়া পরিস্থিতি ০৯.১০.২০২৪ থেকে ১২.১০.২০২৪ তারিখ পর্যন্ত

আবহাওয়ার স্থিতিমাপ(প্যারামিটার)

০৯.১০.২০২৪

১০.১০.২০২৪

১১.১০.২০২৪

১২.১০.২০২৪

সীমা

বৃষ্টিপাত (মি.মি)

২.০

১৫.০

২.০

০.০

০.০-১৫.০ (১৯.০)

সর্বোচ্চ তাপমাত্রা (ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড)

৩২.৫

৩১.০

৩৩.৭

৩২.৫

৩১.০-৩৩.৭

সর্বনিমণ তাপমাত্রা (ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড)

২৪.৬

২৫.১

২৬.৫

২৬.০

২৪.৬-২৬.৫

আপেক্ষিক আর্দ্রতা (শতকরা)

৭৫.০-৯৭.০

৭৫.০-৯৪.০

৬৯.০-৯৬.০

৬৯.০-৯৭.০

৬৯.০-৯৭.০

বাতাসের গতিবেগ (কিমি/ ঘন্টা)

০.৭

৩.২

৪.২

১.৯

০.৭-৪.২

বাতাসের দিক

দক্ষিণ/দক্ষিণ-পশ্চিম

দক্ষিণ/দক্ষিণ-পশ্চিম

দক্ষিণ/দক্ষিণ-পশ্চিম

দক্ষিণ/দক্ষিণ-পশ্চিম

দক্ষিণ/দক্ষিণ-পশ্চিম

মেঘের পরিমান (অক্টা)

৩.৪-৬.৮

 

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর হতে প্রাপ্ত আগামী ৫ দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাস ১৩.১০.২০২৪ থেকে ১৭.১০.২০২৪ তারিখ পর্যন্ত

আবহাওয়ার স্থিতিমাপ(প্যারামিটার)

১৩.১০.২০২৪

১৪.১০.২০২৪

১৫.১০.২০২৪

১৬.১০.২০২৪

১৭.১০.২০২৪

সীমা

বৃষ্টিপাত (মি.মি)

২.০

০.০

০.০

০.০

০.০

০.০-২.০ (২.০)

সর্বোচ্চ তাপমাত্রা (ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড)

৩১.৪

৩১.২

৩০.৭

৩০.৯

৩১.১

৩০.৭-৩১.৪

সর্বনিমণ তাপমাত্রা (ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড)

২২.৩

২১.২

২০.৬

২০.৫

২০.৫

২০.৫-২২.৩

আপেক্ষিক আর্দ্রতা (শতকরা)

৭৭.৫-৮২.৭

৭১.৭-৭৫.৩

৭৩.৬-৭৪.৭

৭২.২-৭৩.৩

৬১.৩-৭৬.১

৬১.৩-৮২.৭

বাতাসের গতিবেগ (কিমি/ ঘন্টা)

৬.৯

৭.৯

৬.৮

৬.৮

৬.৯

৬.৮-৭.৯

বাতাসের দিক

দক্ষিণ/দক্ষিণ-পশ্চিম

দক্ষিণ/দক্ষিণ-পশ্চিম

দক্ষিণ/দক্ষিণ-পশ্চিম

দক্ষিণ/দক্ষিণ-পশ্চিম

দক্ষিণ/দক্ষিণ-পশ্চিম

দক্ষিণ/দক্ষিণ-পশ্চিম

মেঘের পরিমান (অক্টা)

পরিষ্কার

পরিষ্কার

পরিষ্কার

পরিষ্কার

পরিষ্কার

আংশিক মেঘলা

 

 


ধান আমন

  • পর্যায়:পরিপক্ক থেকে কর্তন
  • শতকরা ৮০ ভাগ ধান পরিপক্ক হলে রৌদ্রজ্জ্বল দিনে ধান কর্তন করুন।
  • ফসল সংগ্রহের ১৫ দিন আগে জমি থেকে পানি নিষ্কাশন করে ফেলুন।

সবজি

  • বর্তমান আবহাওয়ায় বেগুনের ফোমপসিস রোগ দেখা দিতে পারে। প্রতি লিটার পানিতে ১ গ্রাম ব্যাভিস্টিন মিশিয়ে স্প্রে করুন।
  • করলায় এপিলাকনা বিটল এর আক্রমণ দেখা দিতে পারে। আক্রমণের প্রাথমিক অবস্থায় ডিম ও বাচ্চাসহ আক্রান্ত অংশ পুড়িয়ে ফেলুন। আক্রমণ বেশি হলে প্রতি লিটার পানিতে ২.৫ গ্রাম কার্বারিল অথবা ২ মিলি কার্বোসালফান মিশিয়ে প্রয়োগ করুন।
  • আগাম শীতকালীন সবজি বাড়ন্ত ও ফুল পর্যায়ে রয়েছে। দণ্ডায়মান ফসলে মালচিং এর ব্যবস্থা করুন।
  • সেচ প্রয়োগ করুন।

উদ্যান ফসল

  • আবহাওয়ার বর্তমান পরিস্থিতিতে ডালিমের ব্লাইট ও ফল পচা রোগ থেকে রক্ষার জন্য ২০০ লিটার পানিতে ৬০০ গ্রাম ম্যানকোজেব ও ১০০ গ্রাম কার্বেন্ডাজিম মিশিয়ে স্প্রে করুন।
  • বর্তমান আবহাওয়ায় ডালিমে থ্রিপস পোকার আক্রমণ হতে পারে। থ্রিপস পোকার আক্রমণ হলে প্রতি ১০ লিটার পানিতে ১০ মিলি স্পিনোসাড ২.৫ এসসি মিশিয়ে স্প্রে করুন।
  • পেয়ারায় ফলের মাছি পোকার আক্রমণ দেখা দিতে পারে। নিয়ন্ত্রণের জন্য পেয়ারা বাগানে মাছি পোকার ফাঁদ ব্যবহার করুন।
  • বর্তমান আবহাওয়ায় কলার আরউইনিয়া রট দেখা দিতে পারে। প্রতিরোধের জন্য কলার বেসিনে চুন প্রয়োগ করুন অথবা নিষ্কাশন নালায় ব্লিচিং পাউডার প্রয়োগ করুন। রোগ যাতে না ছড়ায় সেজন্য বেশি মাত্রায় আক্রান্ত গাছ কেটে সরিয়ে ফেলতে হবে।
  • সেচ প্রয়োগ করুন।

গবাদি পশু

  • গবাদি পশুর তরকা, বাদলা ও খুরা রোগের টিকা না দেওয়া থাকলে দ্রুত টিকা প্রদান করুন।
  • লাম্পি স্কিন ডিজিজ প্রতিরোধে ভেটেরিনারি হাসপাতালে পরামর্শ নিন।
  • কার্বন নি:সরণ কমানোর জন্য গবাদি পশুর নিরাপদ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করুন।
  • গবাদি পশুকে কৃমিনাশক প্রদান না করা থাকলে কৃমিনাশক প্রদান করুন।
  • গোয়ালঘরে জীবাণুনাশক যেমন পটাশিয়াম পারম্যাংগানেট/ ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করুন।
  • গবাদি পশুকে শুধুমাত্র শুকনো খাবার খাওয়ান।
  • গোয়াল ঘরের চারপাশে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন। গোয়াল ঘরে যেন পানি জমে থাকতে না পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
  • মশামাছি থেকে রক্ষার জন্য গোয়ালঘরে ন্যাপথালিন ব্যবহার করুন।

হাঁসমুরগী

  • শুকনো খাবার খেতে দিন এবং পরিষ্কার পানি পান করান।
  • খোয়াড়ে জীবাণুনাশক স্প্রে করে তারপর হাঁসমুরগী রাখুন।
  • হাঁসমুরগীকে কৃমিনাশক প্রদান না করা থাকলে কৃমিনাশক প্রদান করুন।
  • রানীক্ষেত ও গামবোরো রোগের টিকা না দেওয়া থাকলে টিকা প্রদান করুন।

মৎস্য

  • মাছের রোগবালাই দেখা দিলে বা কাঙ্ক্ষিত বৃদ্ধি না হলে নিকটস্থ উপজেলা মৎস্য অফিসে যোগাযোগ করুন।
  • শীতের শুরুতে প্রতি শতাংশে ২৫০-৫০০ গ্রাম চুন প্রয়োগ করলে মাছের রোগবালাই থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
  • শীতকালে খাবারের পরিমাণ কমিয়ে দিন। প্রয়োজনে খাবার প্রয়োগ বন্ধ রাখুন।
  • ১৫ দিন পর পর নমুনায়ন করে মাছের বাড়ার হার ও রোগবালাই আছে কি না-পর্যবেক্ষণ করুন।
  • মাছ ঠিকমত খাবার গ্রহণ করছে কি না পর্যবেক্ষণ করুন।
  • নিজেদের তৈরি খাবার হলে ফরমুলা অনুযায়ী আমিষসহ অন্যান্য উপাদানের শতকরা হার বজায় রাখুন।
  • প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ও নির্দিষ্ট স্থানে পরিমাণমত ভালো মানের খাবার প্রয়োগ করুন।
  • মজুদ পরবর্তী সার নির্দিষ্ট হারে (প্রতি দিন প্রতি শতাংশে- ইউরিয়া ৬ গ্রাম , টিএসপি ৪গ্রাম) প্রয়োগ করুন।

আলু

  • পর্যায়:অংকুরোদগম
  • বর্তমান আবহাওয়া আলু লাগানোর জন্য উপযুক্ত।
  • রোপণের জন্য বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক অনুমোদিত জাত ব্যবহারের পরামর্শ দেয়া হলো।
  • শেষ চাষের সময় আলুর জাত ভেদে হেক্টর প্রতি ১৬০-১৭৫ কেজি ইউরিয়া, ২০০-২২০ কেজি টিএসপি, ২৫০-৩০০ কেজি এমওপি, ১০০-১২০ কেজি জিপসাম, ৮-১০ কেজি জিংক সালফেট এবং ৬-৯কেজি বরিক এসিড সার ব্যাসাল ডোজ হিসাবে প্রয়োগ করুন।
প্রকাশের তারিখ
13/10/2024
আর্কাইভ তারিখ
31/10/2056